১৮+ তথ্যভিত্তিক গাইডঅ্যাকাউন্ট নিরাপত্তা ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের নির্দেশনা
JLBDTJLBDT মোবাইল গেমিং - বাংলাদেশি অনলাইন ক্যাসিনো ও স্লট গেম১৮+ সতর্কতা

JLBDT: মিচেল হার্ডেন নিয়ে: জেমস-দুরান্টের পাশে না বসার কারণ শুধু শিরোপার আলোচনা

JLBDT: মিচেল হার্ডেন নিয়ে: জেমস-দুরান্টের পাশে না বসার কারণ শুধু শিরোপার আলোচনা

বেইজিং সময় ৮ অক্টোবর, ক্যাভালিয়ার্সের তারকা মিচেল দলের অনুশীলন শেষে গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকার দেন। দলের প্রস্তুতির কথা বলেন।

images/01.png

সাংবাদিক:

images/02.png

ট্রেনিং ক্যাম্পের আবহ একেবারে আলাদা, এটা দলের ব্যবস্থা ঘষে তোলার জন্য। গত বছরের ক্যাম্পে হার্ডেন দলে ছিলেন না। এ বছর তিনি যোগ দিয়ে একসঙ্গে ক্যাম্প করছেন। তিনি দলে এমন কী এনেছেন, যা গত বছর ছিল না?

মিচেল: সবচেয়ে জরুরি নেতৃত্ব ও বড় ম্যাচের অভিজ্ঞতা। তিনি অসংখ্য ট্রেনিং ক্যাম্প পার করেছেন, অন্য দলকেও অনেক উঁচু মঞ্চ পর্যন্ত নিয়ে গেছেন। একদিকে তিনি আমাদের সঙ্গে মানিয়ে নিতে শিখছেন, অন্যদিকে আমরাও তাঁর কাছ থেকে শিখছি। তিনি আলাদা করে আমাদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন, দলে নিজের ভাবনা দিতে পারেন। সবচেয়ে বড় লাভ, চিন্তা আগেই তোলা যায়, কাজে নামা যায়, ভালো-মন্দ বিচার করা যায়, ভিডিও দেখে ফিরে দেখা যায়, পরের দিন আবার খোঁজা যায়, একটু একটু করে ঠিক করা যায়।

গত বছরের মতো নয়। গত বছর তিনি সবে এসেছিলেন, বেশি খেলতেন অনুভূতি দিয়ে, দলের ব্যবস্থা যথেষ্ট চেনা ছিল না। এখন আমরা যা করি, তার স্পষ্ট লক্ষ্য আছে।

সাংবাদিক: আগে হার্ডেনের কথা উঠলে, বাইরে প্রায়ই ম্যাচে তাঁর প্রভাবকে ছোট করে দেখা হয়। আমরা সবসময় জেমস, দুরান্টের মতো যাঁরা বছরের পর বছর উঁচু মান ধরে রাখেন, তাঁদের নিয়ে কথা বলি। হার্ডেন ১৮ বছর লড়ছেন। ক্যারিয়ারের দীর্ঘ এক সময় তিনি উচ্চ তীব্রতায় খেলেছেন, এখনও অবস্থা ধরে রেখেছেন। এটা কতটা অবিশ্বাস্য?

মিচেল: আমি পুরোপুরি একমত। তাঁকে সেই স্তরে আলোচনায় কম বসানো হয়, মূলত শিরোপার আলোচনার কারণে। কিন্তু কাছে থেকে তাঁর সঙ্গে কাজ করলে অনুভূতি একেবারে আলাদা। গত সপ্তাহেও আমি বলেছি, ট্রেনিং ক্যাম্পে আপনি দেখতে পান পুরো দলের ওপর তাঁর প্রভাব, জয়ের জন্য তাঁর ক্ষুধা, প্রতিটি কাজে তাঁর মনোযোগ, সবকিছুতে চূড়ান্ত চাওয়া। এতে অনেক ভিত্তিহীন কথা স্পষ্ট হয়ে যায়। অনেক কিছু শুধু প্রতিদিন কাছাকাছি থাকলেই বোঝা যায়।

ঠিক, তিনি শিরোপা জিততে পারেননি। কিন্তু কয়েকবার একেবারে কাছাকাছি ছিলেন, একটা চোটের তফাতেই ফাইনালে ঢুকতে পারতেন। এক বছর পল আহত হয়েছিলেন। অনেক বাস্তব কারণ জড়িয়ে ছিল, দায় শুধু তাঁর একার ওপর চাপানো যায় না। তাঁর ভেতরের ক্ষুধা দেখা যায়। অনুশীলন শেষে আপনারা তাঁকে দেখতে পারেন। তিনি ট্রেডমিলে বাড়তি কাজ করেন, সিঁড়ি ভাঙেন। অনুশীলনে সবাইকে দায় নিতে তাগিদ দেন। সতীর্থ হিসেবে এটা খুব উৎসাহ দেয়। আমি মনে করি আমার অনুশীলন যথেষ্ট কঠোর, কিন্তু তাঁর সঙ্গে থাকলে সেটা একটা প্রতিযোগিতার মতো। নিজেকে আরও পরিশ্রমে ঠেলে দেয়, পুরো দলকে এগিয়ে নেয়।

সাংবাদিক: এখন হার্ডেনের সঙ্গে জুটি বেঁধে, মৌসুমের জন্য শরীর গড়ে রাখার যে ধরন আপনি তাঁর কাছ থেকে শিখেছেন বা দেখেছেন, সেগুলো কী?

মিচেল: প্রস্তুতি ধাপে ধাপে হয়। ক্যারিয়ারের শুরুতে আমি সহজেই উদ্বিগ্ন হতাম। সবসময় ভাবতাম যথেষ্ট অনুশীলন হচ্ছে না। সামাজিক মাধ্যমে অন্যের অনুশীলন দেখলে মনে হতো আমি পিছিয়ে আছি। কিন্তু তাঁর মানসিকতা স্থির, পরিকল্পনা স্পষ্ট: জুলাইয়ে এগুলো, আগস্টে ওগুলো, সেপ্টেম্বরে আবার আলাদা কিছু। ছন্দ গোছানো। এই কথাগুলো আমি আগেও জানতাম, কিন্তু তাঁর করা কাজ পুরো দলের সামনে উদাহরণ। দলের অনেক তরুণ সেটা দেখছেন।

৩৭ বছর বয়সী, ১৮ বছরের ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞ খেলোয়াড় এখনও শীর্ষ প্রতিযোগিতার মান ধরে রেখেছেন। এতে সবাই বোঝে, এক বছরের প্রস্তুতিকে আলাদা আলাদা ধাপে ভাগ করা যায়। আজও আপনারা দেখেছেন তিনি তিন ধরনের অনুশীলন করছেন। এটা তাঁর প্রস্তুতির পরিকল্পনার একটা অংশ মাত্র।

সাংবাদিক: আপনার মতে দলের রক্ষণ কোন স্তরে পৌঁছাতে পারে?

মিচেল: আমি বিশ্বাস করি আমরা লিগের শীর্ষ পাঁচ রক্ষণের দল হতে পারি। এই দলে আসার প্রথম দুই বছর আমাদের রক্ষণ একসময় লিগের শীর্ষ দশে ছিল। এ বছর ওয়াটসনসহ নতুনরা যোগ দিয়েছেন, পুরো ট্রেনিং ক্যাম্পের মিল, অনেক নতুন সমন্বয় আমাদের রক্ষণ বাড়াতে সাহায্য করবে। গত বছর মৌসুমের মাঝপথে হার্ডেন এসেছিলেন, রক্ষণের অনেক বদল মাঠেই খুঁজে নিতে হয়েছিল। এ বছরের প্রস্তুতিতে রিম রক্ষা এবং মাঠে একে অপরকে সাহায্য করে রক্ষা নিয়ে আমি আত্মবিশ্বাসী। রক্ষণ নিশ্চয়ই আরও ভালো হবে।

সাংবাদিক: এ মৌসুমে দলের খেলার ধরন আপনি কীভাবে দেখেন?

মিচেল: প্রথম কথা, আমাদের স্কোর করার ক্ষমতা অনেক। এটা স্পষ্ট। কিন্তু আমরা শুধু আক্রমণের ওপর দাঁড়িয়ে ম্যাচ খেলতে পারি না। হাত ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার রাত আসবেই। তাই রক্ষণই হবে আমাদের পরিচয়। লক্ষ্য লিগের শীর্ষ পাঁচ রক্ষণে আঘাত করা। নতুন খেলোয়াড় এসেছেন, সমন্বয়ও হয়েছে, কিন্তু আমাদের আগের রক্ষণের চেহারা ফিরে পেতে হবে। প্রতিটি রক্ষণের পজেশন উদ্দেশ্য নিয়ে খেলতে হবে।

আমি খুব বেশি কৌশলের খুঁটিনাটি বলতে চাই না। আমি বেশি কথা বলতে পছন্দ করি না, মাঠে ম্যাচ দিয়ে কথা বলতে চাই। গত কয়েক সপ্তাহে আমি অনেক কথা বলেছি। শেষ পর্যন্ত প্রতিদিন মাঠে করতে হবে। আগেই বড় কথা বলে ফেললে, আর শেষে রক্ষণ যদি ১৫তম হয়, তার কোনো মানে থাকে না। আমরা কাজটা ভালো করে করতে মন দেব। ফল নিজেই আসবে।

আমাকে ফলো করুন! সর্বশেষ ও সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাস্কেটবল খবর জানুন

এই লেখা তথ্যভিত্তিক; স্থানীয় আইন, ১৮+ বয়সসীমা, অ্যাকাউন্ট সুরক্ষা এবং দায়িত্বশীল ব্যবহারের নিয়ম মেনে চলুন।